লাকী আখন্দকে গার্ড অব অনার প্রদান

1492841086-Lucky-Akhanda-1-570x299

মুক্তিযোদ্ধা, সুরকার, সংগীত পরিচালক লাকী আখন্দের দ্বিতীয় জানাজা হবে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে। এরপর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। এর আগে,তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়েছে। সেখানে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার একটু পরে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ।

শনিবার সকাল ১০টার একটু পরে পুরান ঢাকার আরমানিটোলা মসজিদের সামনের মাঠে শিল্পীর প্রথম জানাজা হয়। বৃষ্টির মধ্যে চোখের জলে আর শ্রদ্ধায় তাকে বিদায় জানানো হয় সেখানে।

লাকী আখন্দ অনেক দিন ধরেই ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি। এরপর গত ৫ ফেব্রুয়ারি বরেণ্য এ শিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএসএমএমইউ-এর সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের ভর্তি করা হয়। গেল সপ্তাহে শরীরের অবস্থা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— এই নীল মনিহার, আমায় ডেকো না, আগে যদি জানতাম, কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে, যেখানে সীমান্ত তোমার, মামনিয়া, বিতৃঞ্চা জীবনে আমার, কি করে বললে তুমি, লিখতে পারি না কোনো গান, ভালোবেসে চলে যেও না প্রভৃতি।

লাকী আখন্দ, আধুনিক বাংলা সংগীতের খ্যাতিমান শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। শৈশব কেটেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে। শৈশবেই তার সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে এইচএমভি পাকিস্তানে সুরকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সুরকার হিসেবে আরো কাজ করেছেন এইচএমভি ভারত এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *